সোমবার ১০, আগস্ট ২০২৬

সোমবার ১০, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --

রাজনীতি: তাহলে এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট হচ্ছে?

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৮ এএম

2004

রাজনীতি: তাহলে এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট হচ্ছে?

দৈনিক অদম্য বার্তা ডেস্ক: বাংলাদেশের ইতিহাসে সবশেষ ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট হয়েছিল। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী ওই নির্বাচনে ভোট দিয়েছিলেন সংসদ সদস্যরা। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি পদে যেহেতু জনগণ সরাসরি জাতীয় ও স্থানীয় সরকারের মতো গোপন ব্যালটে ভোট দেয় না, বরং জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্যরাই ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করেন, তাই এটিকে বলা হয় ‘পরোক্ষ নির্বাচন’। উপরন্তু রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে ভোটারদের (সংসদ সদস্য) ব্যালট পেপারে স্বাক্ষর করতে হয়। তার মানে কে কাকে ভোট দিয়েছেন সেটিও জানা সম্ভব। ফলে এটিকে ‘প্রকাশ্য ভোট’ও বলা হয়।

ঘটনাবলির বিস্তারিত বিবরণ

সংবিধানের ৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন। আর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ১৯৯১ অনুযায়ী, একাধিক প্রার্থী থাকলে সাড়ে তিনশো (৫০টি সংরক্ষিতসহ) সংসদ-সদস্য প্রকাশ্যে ভোট দেবেন। নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় সংখ্যক ব্যালট পেপার প্রস্তুত করবে। প্রত্যেকটি ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে। কাউন্টার ফয়েলে প্রত্যেক ভোটারের নাম ও বিভক্তি সংখ্যা মুদ্রিত থাকবে এবং ভোটারের স্বাক্ষরের জন্য স্থান নির্ধারিত থাকবে। প্রত্যেকটি ব্যালট পেপারের আউটার ফয়েলে প্রত্যেক ভোটারের বিভক্তি সংখ্যা এবং রাষ্ট্রপতি পদ প্রার্থীদের নাম আদ্যাক্ষর অনুযায়ী ক্রমানুসারে সরলরেখার মধ্যে পৃথকভাবে মুদ্রিত থাকবে এবং প্রত্যেক নামের বিপরীতে ভোটার কর্তৃক স্বাক্ষরের মাধ্যমে ভোট প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকবে। প্রত্যেক ভোটার তার জন্য নির্দিষ্ট ব্যালটের কাউন্টার ফয়েলে নিজ নাম স্বাক্ষর করে ব্যালট পেপার সংগ্রহ করবেন। এরপর সেটি আউটার ফয়েলে তিনি যে প্রার্থীকে ভোট দেবেন, তার নামের বিপরীতে নির্দিষ্ট স্থানে নিজের পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন এবং সেটি সংরক্ষিত ব্যালট বাক্সের ভেতরে রাখবেন।

যদিও ১৯৯১ সালের পরে আর কখনোই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সংসদ সদস্যদের ভোট দেয়ার প্রয়োজন হয়নি। কারণ প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল থেকে একজনকে মনোনীত করা সম্পন্ন হয়েছে এবং স্বতন্ত্র বা বিরোধী দল থেকে কোনো প্রার্থী না থাকায় তাকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ কখনোই একাধিক প্রার্থী না থাকায় ভোটের আয়োজন করার প্রয়োজন পড়েনি। তার মানে ১৯৯৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতিরা সাংবিধানিকভাবে সংসদ কর্তৃক নির্বাচিত হলেও কার্যত তারা প্রত্যেকেই ছিলেন দল কর্তৃক মনোনীত। অর্থাৎ সিলেকশন। কিন্তু এবার সম্ভবত ১৯৯১ সালের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে। কেননা জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট থেকেও রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে একজনের নাম ঘোষণা করা সম্পন্ন হয়েছে। যদি তার পক্ষে মনোনয়ন জমা দেয়া হয় এবং যাচাই-বাছাইয়ে টিকে যান; আর তিনি যদি প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করেন, অর্থাৎ যদি একাধিক প্রার্থী থাকেন তাহলে নির্বাচন কমিশনকে সংসদ ভবনে ভোটের আয়োজন করতে হবে।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের যে তফসিল ঘোষণা করেছে, সেখানে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ১৩ আগস্ট, যাচাই-বাছাই ১৬ আগস্ট, প্রত্যাহার ১৮ আগস্ট এবং একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা সম্পন্ন হয়েছে ২০ আগস্ট। কিন্তু এই মুহূর্তে সংসদের অধিবেশন চলছে না। সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশন ডাকতে হয়। সবশেষ বাজেট অধিবেশন শেষ সম্পন্ন হয়েছে গত ১৫ জুলাই। সে হিসেবে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংসদের পরবর্তী অধিবেশন ডাকতে হবে। বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার পরে শোনা যাচ্ছিল যে, সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে সংসদের অধিবেশন বসবে। কিন্তু এবার যদি রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী ভোটগ্রহণ করতে হয়, তাহলে ২০ আগস্ট বা তার আগেই সংসদের অধিবেশন ডাকতে হবে অথবা নির্বাচনের তফসিল পরিবর্তন করে ভোটগ্রহণের তারিখ পিছিয়ে দিতে হবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদে সরাসরি নির্বাচিত ৩০০ জন এবং সংরক্ষিত আসনের ৫০ জনসহ মোট সাড়ে তিনশো এমপি ভোট দিতে পারেন। তবে এবার চট্টগ্রাম-৪ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আসলাম চৌধুরীকে নিয়ে আইনি জটিলতা থাকায় তিনি ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি। ফলে এবার ভোটার সংখ্যা ৩৪৯। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের ফলে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম যেহেতু ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, ফলে তিনিও হয়তো ভোটদানে বিরত থাকবেন।

ধরা যাক সব ভোটার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে এলেন না। অংশগ্রহণকারী ভোটারদের মধ্যে দুজন প্রার্থীই সমান সংখ্যক ভোট পেলেন, তখন কী হবে? রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন বলছে, প্রার্থীগণের মধ্যে যিনি প্রদত্ত ভোটের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পাবেন, নির্বাচন কমিশন তাকে নির্বাচিত বলে ঘোষণা করবেন। তবে প্রার্থীরা সমান সংখ্যক ভোট পেলে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করবেন এবং এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

এবার কেন ভোটগ্রহণের প্রশ্ন আসছে? কারণ সরকারি দল বিএনপির পক্ষ থেকে এখনও কাউকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেয়া না হলেও এরইমধ্যে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলীয় জোট থেকে অলি আহমেদের নাম ঘোষণা করা সম্পন্ন হয়েছে। অর্থাৎ যাচাই-বাছাইয়ে তিনি যদি টিকে যান এবং বিএনপির মনোনীত প্রার্থীও টিকে যান, তাহলে দুজন প্রার্থীর মধ্যে ভোট হবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৯১ সালের আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতেন জনগণের ভোটে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ১৯৭৮ সালে প্রথম জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন জিয়াউর রহমান। এরপর ১৯৮১ সালে বিচারপতি আবদুস সাত্তার এবং সবশেষ ১৯৮৬ সালে এইচ এম এরশাদ সরাসরি জনগণের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৯১ সাল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে জনগণের ভোটে নয়, বরং সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি শুরু হয়। ওই বছরের ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আবদুর রহমান বিশ্বাস এবং বিরোধী দল আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন বদরুল হায়দার চৌধুরী। নির্বাচনে আব্দুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি পদে জয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বদরুল হায়দার চৌধুরী পান ৯২ ভোট।

এরপর ১৯৯৬, ২০০১, ২০০২, ২০০৯, ২০১৩, ২০১৮ এবং সবশেষ ২০২৩ সালের নির্বাচনে একক প্রার্থী থাকায় রাষ্ট্রপতি পদে কোনো নির্বাচন হয়নি। অর্থাৎ একাধিক প্রার্থী না থাকায় একক প্রার্থীকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

বিরোধী জোটের প্রার্থীর নাম জানা গেলেও সরকারি দল তথা বিএনপির প্রার্থী হিসেবে কারো নাম এখনও ঘোষণা করা হয়নি। যদিও এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতি পদে দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছে বিএনপি। আগামী ১৩ আগস্ট একজনের বিপরীতে মনোনয়ন ফরম জমা দেয়ার কথা। তবে দুটি ফরম কেন সংগ্রহ করা হলো, তা নিয়ে নানারকম গুঞ্জন আছে। শোনা যাচ্ছে, এই দুজনের ব্যাপারে দলের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে ভোট নেয়া হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা যার ব্যাপারে সম্মতি দেবেন, তাকেই রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেবে বিএনপি। অর্থাৎ দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চায় এটি একটি ভালো দৃষ্টান্ত হতে পারে।

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে দলের মহাসচিব, বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম। এরপরেই আছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদের নামও শোনা গিয়েছিল। যদিও তার অবর্তমানে স্পিকারের চেয়ারে কে বসবেন, অর্থাৎ সংসদ পরিচালনার মতো গুরুদায়িত্ব কে সামলাবেন, এটি নিয়ে দলের ভেতরে আলোচনা হয়। মির্জা ফখরুল ও নজরুল ইসলাম খানের মধ্যে কোনো একজনই চূড়ান্তভাবে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পাচ্ছেন কি না, সেটি ১৩ আগস্টের মধ্যেই জানা যাবে। তবে কৌতূহল তৈরি সম্পন্ন হয়েছে বিরোধী জোটের প্রার্থী অলি আহমেদকে নিয়ে।

এবারের সংসদে মোট সাড়ে তিনশো আসনের (সংরক্ষিতসহ) মধ্যে ২৫০টি আসন বিএনপির। বিপরীতে ৮৮টি আসন জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের। তার মানে বিএনপি জোটের প্রার্থীদের সবাই যদি বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে ভোট নাও দেন বা ভোটের দিন অনুপস্থিত থাকেন; বিপরীতে বিরোধী জোটের সবাই যদি তাদের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দেন—তারপরও বিরোধী জোটের প্রার্থী অলি আহমেদের জয়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ। তাহলে কেন বিরোধী জোট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দিলো?

প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অলি আহমেদ নিজে প্রার্থী হননি। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনটি অলি আহমদের নিজস্ব আসন হিসেবে পরিচিত ছিল। অলি আহমেদের দল এলডিপি ১১ দলীয় ঐক্যে যোগ দেওয়ার পর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ওই আসনে প্রার্থী করা হয় অলির ছেলে ওমর ফারুককে। তবে তিনি বিএনপির প্রার্থী জসীম উদ্দীন আহমেদের কাছে হেরে যান। শোনা যায়, নির্বাচনের আগে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে অলি আহমেদকে এই আশ্বাস দেয়া হয়েছিল যে, তারা সরকার গঠন করলে অলি আহমেদকে রাষ্ট্রপতি বানানো হবে। সম্ভবত সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষার অংশ হিসেবেই অলি আহমেদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করা হলো।

রবিবার দুপুরে রাজধানীর বেইলি রোডে বিরোধী দলীয় নেতার বাসভবনে এক বৈঠকের পর জোটের শীর্ষ নেতারা অলি আহমদকে পাশে নিয়ে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী ঘোষণা করেন। এ সময় জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান সবিস্তারে উল্লেখ করেন, ‘গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হিসেবে, আমাদের দায়িত্ব হিসেবে, আমরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আমাদের মধ্যে সর্বসম্মতভাবে প্রেসিডেন্টপ্রার্থী দিয়েছি।’

অলি আহমেদের ভাষ্য: সবাই মনে করেছে আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং পরীক্ষিত একজন লোক। যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নাই, শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো অভিযোগ নাই। সুন্দরভাবে জীবন যাপন করেছি বিধায় সবাই সর্বসম্মতিক্রমে আমার নাম প্রস্তাব করেছেন।’

তবে অলি আহমেদের জয়ের সম্ভাবনা যত কমই হোক না কেন, ১৯৯১ সালের পরে এবার যদি সত্যিই রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন হয়, অর্থাৎ সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন, সেটিকে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় কিছুটা উত্তরণ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

আমীন আল রশীদ: সাংবাদিক ও লেখক।

তাহলে এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট হচ্ছে?

অরাজকতার দুষ্টচক্র: সমাজে দুর্নীতি, ক্ষমতা ও সুবিধাভোগী শ্রেণির উত্থান

বাংলাদেশ কেন তার ইতিহাসকে অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে পারে না?

মুহসীন হল: আমার সোনার খাঁচার দিনগুলি

একটি সংস্কৃতি হারালে দরিদ্র হয় পুরো বাংলাদেশ

ডিজিটাল দক্ষতার বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ কোথায় দাঁড়াবে?

কূটনৈতিক প্রতিবাদ: রাষ্ট্রের মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক আইন

অরাজকতার দুষ্টচক্র: সমাজে দুর্নীতি, ক্ষমতা ও সুবিধাভোগী শ্রেণির উত্থান

বাংলাদেশ কেন তার ইতিহাসকে অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে পারে না?

মুহসীন হল: আমার সোনার খাঁচার দিনগুলি

Link copied!